অনিয়মিত পিরিয়ড, যাকে ডাক্তারি ভাষায় অলিগোমেনোরিয়াও বলা হয়, মহিলাদের মধ্যে একটি খুব সাধারণ সমস্যা।
তবে দীর্ঘ সময় ধরে অনিয়মিত পিরিয়ড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, স্ট্রেস, ক্লান্তির কারণ হতে পারে, তাই পিরিয়ড সাইকেল ঠিক করা খুবই জরুরী। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো তিল অনিয়মিত পিরিয়ড ঠিক করতে সহায়ক।
মাসিকের সময় কালো তিল খাওয়া যাবে কী :বিশেষজ্ঞদের মতে, তিল শরীরে তাপ উৎপন্ন করে, যা ঋতুস্রাব নিয়ন্ত্রণ করে এবং মাসিকের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। তবে কালো তিল পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিৎ। কারণ এটি শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে।
উপাদান:
কালো তিল - ৫গ্রাম
জল - ১ গ্লাস
পদ্ধতি :
প্রথমে কালো তিল ভালো করে পরিষ্কার করে গুঁড়ো আকারে রাখুন। এখন এটি ১ গ্লাস জলে রান্না করুন যতক্ষণ না জল অর্ধেক হয়ে যায়।
পান করার সময় :পিরিয়ডের তারিখের ৫ দিন আগে এই ক্বাথ পান করুন। এই ক্বাথ দিনে ২ বার পান করুন এবং পিরিয়ড এলে এটি খাওয়া বন্ধ করুন। এতে পিরিয়ড নিয়মিত হবে এবং কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না।
পিরিয়ডের প্রত্যাশিত তারিখ থেকে প্রায় ১৫ দিনের জন্য প্রতিদিন এটি খেতে পারেন। এতে মাসিক তাড়াতাড়ি হবে। এক চামচ ভাজা বা সাধারণ তিল মধুর সাথে দিনে ২-৩ বার।স্যালাড,তরকারি, রুটি বা লাড্ডুতে তিল যোগ করুন।
হরমোনের ভারসাম্যও বজায় থাকবে: গবেষণা অনুসারে, প্রায় ২৪ দিন ধরে পোস্টমেনোপজাল মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। প্রতিদিন ৫০ মিলিগ্রাম তিলের গুঁড়ো খেলে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। এটি রক্তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং চর্বির মাত্রাও উন্নত করে।
হজমের জন্যও উপকারী: ৩০গ্রাম খোসা ছাড়ানো তিলের বীজে ৩.২৫ গ্রাম ফাইবার থাকে যা দৈনিক খাওয়ার ১২%।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালো পরিমাণে ফাইবার খাওয়া হজমশক্তি বাড়ায়, তাই এটিকে আপনার ডায়েটের একটি অংশ করুন।
বি.দ্র: এখানে দেওয়া তথ্য ঘরোয়া প্রতিকার এবং সাধারণ তথ্যের উপর ভিত্তি করে। এটি গ্রহণ করার আগে দয়া করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। প্রেসকার্ড-নিউজ এটি নিশ্চিত করে না।
No comments:
Post a Comment